10 gm tube:
৳ 40.27
Also available as:
নির্দেশনা
মাইক্লো সব ধরনের একজিমা এবং ডার্মাটাইটিস (ত্বকের প্রদাহ) এর চিকিৎসায় নির্দেশিত, যার মধ্যে রয়েছে:
- এটোপিক একজিমা
- ফটোডার্মাটাইটিস বা আলোজনিত ত্বকের প্রদাহ
- ওটাইটিস এক্সটার্না বা বহিকর্ণের প্রদাহ
- প্রাথমিক ইরিট্যান্ট অ্যালার্জিক ডার্মাটাইটিস, যার মধ্যে ন্যাডকিন র্যাশ বা ডায়াপার র্যাশও অন্তর্ভুক্ত
- ইন্টারট্রিগো বা ত্বকের ভাজে হওয়া লালচে ঘা
- প্রুরিগো নোডুলারিস
- সিবোরেইক ডার্মাটাইটিস
- পোকামাকড়ের কামড়ের প্রতিক্রিয়া
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ফার্মাকোলজি
ক্লোবেটাসন বিউটাইরেট একটি ত্বকে ব্যবহারযোগ্য অত্যন্ত কার্যকরী কর্টিকোস্টেরয়েড, যা একই সাথে কার্যকারিতা এবং নিরাপত্তার একটি চমৎকার সংমিশ্রণ প্রদান করে। এটি সাধারণত ব্যবহৃত ১% হাইড্রোকর্টিসোন বা অন্যান্য কম শক্তিশালী কৃত্রিম স্টেরয়েডের তুলনায় একজিমার চিকিৎসায় অনেক বেশি কার্যকর। এটি শরীরের হাইপোথ্যালামাস-পিটুইটারি-অ্যাড্রেনাল (HPA) অক্ষের কার্যকারিতার ওপর খুব একটা প্রভাব ফেলে না।
যেকোনো টপিকাল স্টেরয়েড অতিরিক্ত বা ভুলভাবে ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যেতে পারে। তবে মানুষ ও প্রাণীদের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, অন্যান্য সমজাতীয় স্টেরয়েডের তুলনায় ক্লোবেটাসন বিউটাইরেট ব্যবহারে ত্বক পাতলা হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
যেকোনো টপিকাল স্টেরয়েড অতিরিক্ত বা ভুলভাবে ব্যবহার করলে ত্বক পাতলা হয়ে যেতে পারে। তবে মানুষ ও প্রাণীদের ওপর গবেষণায় দেখা গেছে যে, অন্যান্য সমজাতীয় স্টেরয়েডের তুলনায় ক্লোবেটাসন বিউটাইরেট ব্যবহারে ত্বক পাতলা হওয়ার ঝুঁকি অনেক কম।
মাত্রা ও সেবনবিধি
আক্রান্ত স্থানে প্রতিদিন সর্বোচ্চ ৪ বার পর্যন্ত আলতো করে লাগিয়ে ব্যবহার করুন। ত্বকের অবস্থার উন্নতি হতে থাকলে ব্যবহারের ফ্রিকোয়েন্সি বা দৈনিক সংখ্যা ধীরে ধীরে কমিয়ে আনতে হবে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
ক্ষতিকারক বা উপকারী- কোনো ধরনের ড্রাগ ইন্টারঅ্যাকশন বা অন্য ঔষধের সাথে বিক্রিয়ার তথ্য এ পর্যন্ত জানা যায়নি।
প্রতিনির্দেশনা
নিম্নলিখিত ক্ষেত্রগুলোতে ক্লোবেটাসন বিউটাইরেট ব্যবহার করা যাবে না: ভাইরাস (যেমন: হারপিস সিমপ্লেক্স, জলবসন্ত), ছত্রাক (যেমন: ক্যান্ডিডিয়াসিস, টিনিয়া) বা ব্যাকটেরিয়াজনিত (যেমন: ইম্পেটিগো) সংক্রমণের কারণে ত্বকে ক্ষত হলে। এই ঔষধের কোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
- অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জির লক্ষণ দেখা দিলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।
- শরীরের বড় অংশে দীর্ঘ সময় ব্যবহার করলে কিছু রোগীর শরীরে সাময়িকভাবে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির কার্যকারিতা কমতে পারে।
- দীর্ঘ সময় ধরে আর্দ্র বা ভ্যাপসা স্থানে ব্যবহার করলে (যেখানে ঔষধের শোষণ বেশি হয়) স্থানীয়ভাবে ত্বকে পরিবর্তন আসতে পারে।
- ত্বকের রঞ্জক পদার্থ বা রঙের পরিবর্তন এবং অতিরিক্ত লোম গজানো এর মতো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা দিতে পারে।
- কিছু ক্ষেত্রে ত্বকের বিদ্যমান উপসর্গ বা রোগ আরও বেড়ে যেতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থায় মানবদেহের জন্য এটি কতটা নিরাপদ, সেটির পর্যাপ্ত তথ্য নেই। গর্ভবতী প্রাণীদের ওপর স্টেরয়েড ব্যবহারে ভ্রূণের ক্ষতি (যেমন: তালু কাটা বা গর্ভস্থ শিশুর বৃদ্ধি ব্যাহত হওয়া) দেখা গেছে। তাই মানুষের ক্ষেত্রেও ভ্রূণের ওপর এমন সামান্য ঝুঁকি থাকতে পারে। গর্ভাবস্থায় চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এটি ব্যবহার করা উচিত নয়।
সতর্কতা
প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য দীর্ঘ মেয়াদে এটি নিরাপদ মনে করা হলেও, শিশু ও নবজাতকদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত শোষণের ফলে অ্যাড্রেনাল গ্রন্থির ক্ষতি হতে পারে। শিশুদের ডায়াপার র্যাশের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা প্রয়োজন, কারণ ডায়াপার বা ন্যাডকিন বায়ুরোধী ড্রেসিংয়ের মতো কাজ করে যা ঔষধের শোষণ বাড়িয়ে দেয়। শিশুদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা সাধারণত ৭ দিনের বেশি হওয়া উচিত নয়।
যদি ত্বকের প্রদাহের সাথে জীবাণুর সংক্রমণও থাকে, তবে সঠিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল (জীবাণুনাশক) চিকিৎসা দিতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে স্টেরয়েড ব্যবহার বন্ধ করে মুখে বা ইনজেকশনের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে।
মুখের ত্বকে দীর্ঘদিন যাবত স্টেরয়েড ব্যবহার করা অনুচিত।
সোরিয়াসিস রোগের ক্ষেত্রে টপিকাল স্টেরয়েড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে (যেমন: হঠাৎ রোগ বেড়ে যাওয়া, ঔষধের প্রতি সহনশীলতা তৈরি হওয়া ইত্যাদি)। তাই সোরিয়াসিসে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কঠোর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
চোখের পাতায় ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ঔষধ চোখের ভেতরে চলে না যায়, কারণ এর ফলে গ্লুকোমা হতে পারে।
ক্ষত স্থান, শরীরের বড় অংশ, পেপটিক আলসার, অস্টিওপোরোসিস, মানসিক ব্যাধি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, মৃগী রোগ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর এবং ইউরেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
যদি ত্বকের প্রদাহের সাথে জীবাণুর সংক্রমণও থাকে, তবে সঠিক অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল (জীবাণুনাশক) চিকিৎসা দিতে হবে। সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়লে স্টেরয়েড ব্যবহার বন্ধ করে মুখে বা ইনজেকশনের মাধ্যমে অ্যান্টিবায়োটিক দিতে হবে।
মুখের ত্বকে দীর্ঘদিন যাবত স্টেরয়েড ব্যবহার করা অনুচিত।
সোরিয়াসিস রোগের ক্ষেত্রে টপিকাল স্টেরয়েড ব্যবহার করা ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে (যেমন: হঠাৎ রোগ বেড়ে যাওয়া, ঔষধের প্রতি সহনশীলতা তৈরি হওয়া ইত্যাদি)। তাই সোরিয়াসিসে ব্যবহারের ক্ষেত্রে চিকিৎসকের কঠোর পর্যবেক্ষণ প্রয়োজন।
চোখের পাতায় ব্যবহারের সময় খেয়াল রাখতে হবে যেন ঔষধ চোখের ভেতরে চলে না যায়, কারণ এর ফলে গ্লুকোমা হতে পারে।
ক্ষত স্থান, শরীরের বড় অংশ, পেপটিক আলসার, অস্টিওপোরোসিস, মানসিক ব্যাধি, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, মৃগী রোগ, ক্রনিক কিডনি ফেইলিওর এবং ইউরেমিয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহারের সময় অতিরিক্ত সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
মাত্রাধিক্যতা
হঠাৎ একদিন অতিরিক্ত ব্যবহারে মারাত্মক কোনো সমস্যা হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে দীর্ঘমেয়াদে বা ক্রনিক ওভারডোজ এবং অপব্যবহারের ফলে হাইপারকর্টিসিজম (শরীরে স্টেরয়েডের আধিক্যজনিত রোগ)-এর লক্ষণ দেখা দিতে পারে। এমন পরিস্থিতি তৈরি হলে টপিকাল স্টেরয়েড ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Clobetasol / Clobetasone & Combined Preparations
সংরক্ষণ
৩০° সেলসিয়াসের নিচে সংরক্ষণ করুন। ফ্রিজে রাখবেন না বা বরফ হতে দেবেন না। আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
