5 ml drop:
৳ 85.26
নির্দেশনা
চোখের মণি বড় করা: ট্রপিজেন আই ড্রপস চোখের মণি বা পুতলি প্রসারিত করতে ব্যবহৃত হয় যাতে চিকিৎসক চোখের ভেতরের অংশ ভালোভাবে পরীক্ষা করতে পারেন।
চোখ পরীক্ষা: এটি সাইক্লোপ্লেজিক রিফ্র্যাকশন এবং চোখের ফান্ডাস পরীক্ষার আগে ব্যবহার করা হয়।
চোখের অস্ত্রোপচার: চোখের অস্ত্রোপচারের আগেও পরে এই ড্রপ ব্যবহার করা হতে পারে।
চোখ পরীক্ষা: এটি সাইক্লোপ্লেজিক রিফ্র্যাকশন এবং চোখের ফান্ডাস পরীক্ষার আগে ব্যবহার করা হয়।
চোখের অস্ত্রোপচার: চোখের অস্ত্রোপচারের আগেও পরে এই ড্রপ ব্যবহার করা হতে পারে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ফার্মাকোলজি
গঠনগতভাবে ট্রপিকামাইডের সাথে অ্যাট্রোপিনের কিছুটা মিল রয়েছে। এটি প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রকে নিষ্ক্রিয় বা অবশ করার মাধ্যমে মিড্রিয়াসিস (চোখের মণি প্রসারিত হওয়া) এবং সাইক্লোপ্লেজিয়া (চোখের ফোকাস করার পেশী সাময়িক নিষ্ক্রিয় হওয়া) সৃষ্টি করে। ট্রপিকামাইড একটি প্যারাসিমপ্যাথোলাইটিক উপাদান, যা প্যারাসিমপ্যাথেটিক স্নায়ুতন্ত্রের কার্যকারিতাকে বাধা দিয়ে কাজ করে। যেহেতু অ্যাসিটাইলকোলিন হলো এই স্নায়ুতন্ত্রের রিসেপ্টর সাইটের নিউরোট্রান্সমিটার, তাই ট্রপিকামাইড এই রিসেপ্টরগুলোতে জায়গা নেওয়ার জন্য অ্যাসিটাইলকোলিনের সাথে প্রতিযোগিতা করে এবং এর কার্যকারিতা ব্লক করে দেয়। এর ফলে 'ডাইলেটর পিউপিলি' পেশীর বাধাহীন ক্রিয়ার কারণে চোখের মণি প্রসারিত হয় এবং সাইক্লোপ্লেজিয়া ঘটে।
ট্রপিকামাইড ব্যবহারের মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে দৃশ্যমানভাবে চোখের মণি প্রসারিত করে। ২০-২৫ মিনিট পর এটি সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রসারিত হয় এবং প্রায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে চোখ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এর কার্যকারিতা দ্রুত শুরু হলেও শেষ ড্রপ দেওয়ার ৪৫-৬০ মিনিট পর তা কমতে শুরু করে। তাই রেটিনোস্কোপি করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো শেষ ড্রপ দেওয়ার ঠিক ২০ মিনিট পর।
ট্রপিকামাইড ব্যবহারের মাত্র ৫ মিনিটের মধ্যে দৃশ্যমানভাবে চোখের মণি প্রসারিত করে। ২০-২৫ মিনিট পর এটি সর্বোচ্চ মাত্রায় প্রসারিত হয় এবং প্রায় ৬ ঘণ্টার মধ্যে চোখ স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসে। এর কার্যকারিতা দ্রুত শুরু হলেও শেষ ড্রপ দেওয়ার ৪৫-৬০ মিনিট পর তা কমতে শুরু করে। তাই রেটিনোস্কোপি করার সবচেয়ে উপযুক্ত সময় হলো শেষ ড্রপ দেওয়ার ঠিক ২০ মিনিট পর।
মাত্রা ও সেবনবিধি
রিফ্র্যাকশন বা চোখ পরীক্ষার জন্য: আক্রান্ত চোখে ১ বা ২ ফোঁটা ড্রপ দিতে হবে এবং ৫ মিনিট পর আবার পুনরাবৃত্তি করতে হবে। যদি রোগীকে ২০ থেকে ৩০ মিনিটের মধ্যে পরীক্ষা করা না সম্ভব হয়, তবে মণি প্রসারিত রাখার সময় বাড়াতে আরও ১ ফোঁটা ড্রপ দেওয়া যেতে পারে।
ফান্ডাস পরীক্ষার জন্য: পরীক্ষা করার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে চোখে ১ ফোঁটা ড্রপ দিতে হবে।
ফান্ডাস পরীক্ষার জন্য: পরীক্ষা করার ১৫ থেকে ২০ মিনিট আগে চোখে ১ ফোঁটা ড্রপ দিতে হবে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
অ্যাট্রোপিন জাতীয় উপাদান, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্টস, বিভিন্ন H1 অ্যান্টিহিস্টামিন, অ্যান্টিকোলিনার্জিক উপাদান, অ্যান্টি-পার্কিনসন ওষুধ, ফেনোথিয়াজিন এবং নিউরোলেপ্টিক ওষুধগুলো শরীরে উপস্থিত থাকলে তা ট্রপিজেনের কার্যকারিতা ও তীব্রতাকে আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা রোগীদের ক্ষেত্রে এবং এই ড্রপের যেকোনো উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা বা অ্যালার্জি থাকলে এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
স্থানীয় প্রতিক্রিয়া: চোখে ড্রপ দেওয়ার পর সামান্য সময়ের জন্য মৃদু জ্বালাপোড়া অনুভূতি হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে মানসিক উত্তেজনা, আচরণের পরিবর্তন এবং কার্ডিও-রেসপিরেটরি কলাপ্স (হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের সাময়িক অচল অবস্থা) হতে পারে।
অন্যান্য: এই ওষুধটি ব্যবহারের পর গাড়ি চালানো বা ভারী যন্ত্রপাতি চালানোর ক্ষেত্রে মনোযোগ এবং কার্যক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে। এছাড়াও চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধি, অ্যালার্জি, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ট্যাকিকার্ডিয়া (হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া) এবং মাথাব্যথা হতে পারে।
শিশুদের ক্ষেত্রে: শিশুদের ক্ষেত্রে মানসিক উত্তেজনা, আচরণের পরিবর্তন এবং কার্ডিও-রেসপিরেটরি কলাপ্স (হৃদযন্ত্র ও শ্বাসযন্ত্রের সাময়িক অচল অবস্থা) হতে পারে।
অন্যান্য: এই ওষুধটি ব্যবহারের পর গাড়ি চালানো বা ভারী যন্ত্রপাতি চালানোর ক্ষেত্রে মনোযোগ এবং কার্যক্ষমতা ব্যাহত করতে পারে। এছাড়াও চোখের অভ্যন্তরীণ চাপ বৃদ্ধি, অ্যালার্জি, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ট্যাকিকার্ডিয়া (হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া) এবং মাথাব্যথা হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা: এটি প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি 'C' ভুক্ত ওষুধ। অত্যন্ত জরুরি এবং স্পষ্ট প্রয়োজন ছাড়া গর্ভবতী নারীদের এই ড্রপ দেওয়া উচিত নয়।
স্তন্যদানকাল: এই ওষুধটি মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি। যেহেতু অনেক ওষুধই বুকের দুধে মিশে যেতে পারে, তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ট্রপিকামাইড ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
স্তন্যদানকাল: এই ওষুধটি মায়ের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি। যেহেতু অনেক ওষুধই বুকের দুধে মিশে যেতে পারে, তাই স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ট্রপিকামাইড ব্যবহারের সময় বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।
সতর্কতা
ক্ষেত্রবিশেষে, চোখ পরীক্ষা শেষ হওয়ার পর একটি অ্যান্টিডোট বা মায়োটিক (যা চোখের মণি ছোট করে) ড্রপ ব্যবহারের কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। ওষুধটি যাতে অতিরিক্ত মাত্রায় রক্তে বা শরীরে শোষিত হতে না পারে, সেজন্য ড্রপ দেওয়ার পরপরই আঙুল দিয়ে চোখের ভেতরের কোণ বা অশ্রুনালী ২-৩ মিনিট চেপে ধরে রাখতে হবে। বয়োজ্যেষ্ঠ রোগীদের ক্ষেত্রে মিড্রিয়াটিক এবং সাইক্লোপ্লেজিক ওষুধগুলো সাধারণত বাড়তি সতর্কতার সাথে ব্যবহার করা উচিত।
মাত্রাধিক্যতা
লক্ষণ ও তীব্রতার ওপর ভিত্তি করে মুখ লাল হয়ে যাওয়া, দ্রুত নাড়িস্পন্দন, মুখ শুকিয়ে যাওয়া, ঘাম ও নিঃসরণ কমে যাওয়া এবং শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়াকে অতিরিক্ত মাত্রার লক্ষণ হিসেবে ধরে নেওয়া হয়। ভুলবশত বা দুর্ঘটনাক্রমে এটি গিলে ফেললে তাৎক্ষণিকভাবে জরুরি চিকিৎসকের সাথে যোগাযোগ করতে হবে। প্রয়োজনে, স্থানীয় বা চোখের ওপর এর প্রভাব কমাতে একটি মায়োটিক এজেন্ট (অ্যান্টিডোট) ব্যবহার করে এর কার্যকারিতা নিষ্ক্রিয় করা যেতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Mydriatic and Cycloplegic agents
সংরক্ষণ
কক্ষ তাপমাত্রায় সংরক্ষণ করুন এবং আলো থেকে দূরে রাখুন। ড্রপের বোতলটি প্রথমবার খোলার পর ১ মাসের বেশি সময় ধরে ভেতরের ওষুধ ব্যবহার না করাই শ্রেয়।
