Unit Price: ৳ 10.00 (3 x 10: ৳ 300.00)
Strip Price: ৳ 100.00

নির্দেশনা

পাইলোকারপিন নিম্নোক্ত ক্ষেত্রে নির্দেশিত:
  • মাথা ও ঘাড়ের ক্যান্সারে রেডিওথেরাপি নেওয়ার কারণে লালাগ্রন্থির অকার্যকারিতাজনিত মুখ শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণগুলোর চিকিৎসায়।
  • সজোগ্রেনস সিনড্রোমে আক্রান্ত রোগীদের মুখ শুকিয়ে যাওয়ার লক্ষণগুলোর চিকিৎসায়।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন

ফার্মাকোলজি

পাইলোকারপিন একটি কোলিনার্জিক অ্যাগোনিস্ট যা প্রধানত মাসকারিনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বিস্তৃত ফার্মাকোলজিকাল প্রভাব তৈরি করে। সঠিক মাত্রায় পাইলকার্পিন ঘাম, লালা, অশ্রু, গ্যাস্ট্রিক, অগ্ন্যাশয় এবং অন্ত্রের গ্রন্থিগুলোর মতো এক্সোক্রাইন গ্রন্থি থেকে নিঃসরণ এবং শ্বাসতন্ত্রের মিউকাস কোষগুলোর নিঃসরণ বাড়াতে পারে। এটি মূত্রনালী, পিত্তাশয় এবং পিত্তনালীর মসৃণ পেশীর টোন এবং গতিশীলতা বৃদ্ধি করতে পারে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

মাথা এবং ঘাড়ের ক্যান্সারের রোগীদের জন্য: পাইলোকারপিন হাইড্রোক্লোরাইড ট্যাবলেটের প্রস্তাবিত প্রারম্ভিক মাত্রা হলো দিনে তিনবার একটি করে ট্যাবলেট। থেরাপিউটিক রেসপন্স (চিকিৎসার সাড়া) এবং সহনশীলতা অনুযায়ী মাত্রা নির্ধারণ করতে হবে। সর্বোচ্চ দৈনিক মাত্রা ৩০ মি.গ্রা. (প্রতি ডোজে ১০ মি.গ্রা. এর বেশি নয়)। ২-৩ মাস পর কোনো উন্নতি না দেখা গেলে ওষুধটি সেবন বন্ধ করতে হবে।

সজোগ্রেনস সিনড্রোম-এর জন্য: পাইলোকারপিন ট্যাবলেটের প্রস্তাবিত মাত্রা হলো একটি ট্যাবলেট (৫ মি.গ্রা.) দিনে চারবার। ৬ সপ্তাহ ব্যবহারের পর এর কার্যকারিতা প্রতিষ্ঠিত হয়।

সেবনবিধি: পাইলোকারপিন ট্যাবলেট খাওয়ার সময় বা ঠিক পরে এক গ্লাস পানি দিয়ে সেবন করা উচিত। সর্বশেষ ট্যাবলেটটি সবসময় রাতের খাবারের সাথে খাওয়া উচিত। নির্দেশনা যাই হোক না কেন, মাঝারি মাত্রার যকৃতের অক্ষমতা সম্পন্ন রোগীদের ক্ষেত্রে প্রারম্ভিক মাত্রা হবে দিনে দুবার একটি করে ট্যাবলেট, এরপর চিকিৎসার সাড়া এবং সহনশীলতার ওপর ভিত্তি করে মাত্রা সমন্বয় করতে হবে। মৃদু যকৃতের অক্ষমতার ক্ষেত্রে মাত্রা কমানোর প্রয়োজন নেই।

শিশুদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: শিশুদের ক্ষেত্রে এর নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনও প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

কন্ডাকশন ডিস্টার্বেন্স এর সম্ভাবনার কারণে বিটা অ্যাড্রেনার্জিক অ্যান্টাগনিস্ট গ্রহণকারী রোগীদের ক্ষেত্রে পাইলকার্পিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। পাইলকার্পিন একইসাথে ব্যবহৃত অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধের প্রভাবকে বাধাগ্রস্ত করতে পারে।

প্রতিনির্দেশনা

অনিয়ন্ত্রিত হাঁপানি, হৃদরোগ, পাইলকার্পিনের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা এবং যে সকল ক্ষেত্রে মিয়োসিস অবাঞ্ছিত যেমন অ্যাকিউট আইরাইটিস এবং ন্যারো-অ্যাঙ্গেল (অ্যাঙ্গেল ক্লোজার) গ্লুকোমা রোগীদের ক্ষেত্রে পাইলকার্পিন প্রতিনির্দেশিত বা ব্যবহার করা নিষেধ।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

মাথাব্যথা, দৃষ্টিশক্তির সমস্যা, চোখ দিয়ে পানি পড়া, ঘাম, শ্বাসকষ্ট, পরিপাকতন্ত্রের পেশীর সংকোচন, বমি বমি ভাব, বমি, ডায়রিয়া, অ্যাট্রিওভেন্ট্রিকুলার ব্লক, ট্যাকিকার্ডিয়া (হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া), ব্র্যাডিকার্ডিয়া (হৃদস্পন্দন কমে যাওয়া), উচ্চ রক্তচাপ, নিম্ন রক্তচাপ, শক, মানসিক বিভ্রান্তি, কার্ডিয়াক অ্যারিদমিয়া এবং কাঁপুনি ইত্যাদি দেখা দিতে পারে। পাইলকার্পিন চিকিৎসার সময় পরিলক্ষিত বেশিরভাগ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া অতিরিক্ত প্যারাসিমপ্যাথেটিক উদ্দীপনার পরিণতি। এই পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো সাধারণত মাত্রার ওপর নির্ভরশীল এবং মৃদু ও নিজে থেকেই ঠিক হয়ে যায়।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থায় ব্যবহার: প্রেগন্যান্সি ক্যাটাগরি 'সি'। গর্ভবতী মহিলাদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত এবং সুনিয়ন্ত্রিত কোনো গবেষণা নেই। যদি সম্ভাব্য সুবিধা ভ্রূণের সম্ভাব্য ঝুঁকির চেয়ে বেশি বলে মনে হয়, তবেই গর্ভাবস্থায় পাইলকার্পিন হাইড্রোক্লোরাইড ব্যবহার করা উচিত।

স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রে ব্যবহার: ওষুধটি মানুষের বুকের দুধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা নেই। তবে মায়ের জন্য ওষুধের প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে ওষুধ সেবন নাকি স্তন্যদান বন্ধ করা হবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।

সতর্কতা

পিত্তপাথর বা পিত্তনালীর রোগ আছে বা সন্দেহ করা হচ্ছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে পাইলকার্পিন সতর্কতার সাথে ব্যবহার করতে হবে। যদি পাইলোজেন সেবন করার সময় কোনো রোগীর অতিরিক্ত ঘাম হয় এবং পর্যাপ্ত পরিমাণে পানি পান করতে না পারে, তবে রোগীকে একজন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Drugs affecting exocrine secretions

সংরক্ষণ

৩০° সে. তাপমাত্রার নিচে, আলো ও আর্দ্রতা থেকে দূরে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Pack Image of Pilogen 5 mg Tablet Pack Image: Pilogen 5 mg Tablet