Unit Price: ৳ 6.00 (3 x 10: ৳ 180.00)
Strip Price: ৳ 60.00

নির্দেশনা

এসেনশিয়াল হাইপারটেনশন: ক্যাভাপ্রো ট্যাবলেট উচ্চ রক্তচাপ বা হাইপারটেনশনের চিকিৎসায় নির্দেশিত।

কিডনি রোগের চিকিৎসায়
: উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস মেলিটাস রয়েছে এমন রোগীদের কিডনি রোগের চিকিৎসায় এটি উচ্চ রক্তচাপ কমানোর অন্যান্য ওষুধের পাশাপাশি নির্দেশিত।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন

ফার্মাকোলজি

ইর্বেসারটান হলো একটি অ্যানজিওটেনসিন-II রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট (Angiotensin II receptor antagonist)। এটি মানবদেহের AT1 রিসেপ্টরের সাথে আবদ্ধ হওয়ার মাধ্যমে অ্যানজিওটেনসিন-II এর রক্তনালী সংকোচনকারী এবং অ্যালডোস্টেরন নিঃসরণকারী প্রভাবকে বাধা প্রদান করে।

মাত্রা ও সেবনবিধি

প্রাপ্তবয়স্ক: সাধারণত প্রারম্ভিক এবং রক্ষণাবেক্ষণমূলক ডোজ হলো ইর্বেসারটান ১৫০ মিলিগ্রাম দিনে একবার। এটি খাবারের সাথে বা খাবার ছাড়া (খালি পেটে বা ভরা পেটে) সেবন করা যায়। দিনে একবার ইর্বেসারটান ১৫০ মিলিগ্রাম সাধারণত ৭৫ মিলিগ্রামের চেয়ে ২৪ ঘণ্টায় রক্তচাপ ভালো নিয়ন্ত্রণে রাখে। তবে, বিশেষ করে হেমোডায়ালাইসিস নেওয়া রোগীদের ক্ষেত্রে এবং ৭৫ বছরের বেশি বয়সী প্রবীণদের ক্ষেত্রে ইর্বেসারটান ৭৫ মিলিগ্রাম দিয়ে চিকিৎসা শুরু করার কথা বিবেচনা করা যেতে পারে। যেসকল রোগীদের রক্তচাপ দিনে একবার ইর্বেসারটান ১৫০ মিলিগ্রাম দিয়ে পর্যাপ্ত নিয়ন্ত্রণে আসে না, তাদের ক্ষেত্রে ডোজ বাড়িয়ে ইর্বেসারটান ৩০০ মিলিগ্রাম করা যেতে পারে অথবা অন্য কোনো উচ্চ রক্তচাপ কমানোর ওষুধ যুক্ত করা যেতে পারে। বিশেষ করে, হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইডের মতো মূত্রবর্ধক ওষুধ যুক্ত করলে তা ইর্বেসারটানের কার্যকারিতা আরও বাড়িয়ে দেয়। উচ্চ রক্তচাপ এবং টাইপ-২ ডায়াবেটিস রয়েছে এমন রোগীদের কিডনি রোগের চিকিৎসায় ইর্বেসারটান ১৫০ মিলিগ্রাম দিয়ে শুরু করা উচিত এবং পছন্দনীয় রক্ষণাবেক্ষণ ডোজ হিসেবে দিনে একবার ৩০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত বাড়ানো উচিত।

প্রবীণ বা বয়স্ক ব্যক্তি: ৭৫ বছরের বেশি বয়সী রোগীদের ক্ষেত্রে চিকিৎসা শুরু করার জন্য ৭৫ মিলিগ্রাম মাত্রাটি বিবেচনা করা হলেও, সাধারণত বয়স্কদের ক্ষেত্রে আলাদাভাবে ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না।

শিশু ও কিশোর-কিশোরী: নিরাপত্তা এবং কার্যকারিতার পর্যাপ্ত তথ্য না থাকায় শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের ক্ষেত্রে ইর্বেসারটান ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন

ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া

ডাইইউরেটিক্স (মূত্রবর্ধক) এবং অন্যান্য উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ: ক্যাভাপ্রো দিয়ে চিকিৎসা শুরু করার আগে যদি উচ্চ মাত্রায় ডাইইউরেটিক্স ব্যবহার করা হয়ে থাকে, তবে শরীরে তরল বা পানির ঘাটতি (volume depletion) হতে পারে এবং এর ফলে রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়ার (hypotension) ঝুঁকি থাকে।

পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট এবং পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাইইউরেটিক্স: রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন সিস্টেমের ওপর কাজ করে এমন অন্যান্য ওষুধের অভিজ্ঞতার আলোকে বলা যায় যে—পটাশিয়াম-স্পেয়ারিং ডাইইউরেটিক্স, পটাশিয়াম সাপ্লিমেন্ট, পটাশিয়ামযুক্ত লবণের বিকল্প (salt substitutes) অথবা রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বাড়াতে পারে এমন অন্যান্য ওষুধ (যেমন- হেপারিন) একত্রে ব্যবহার করলে রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে। তাই এগুলো একসাথে ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।

লিথিয়াম: এসিই ইনহিবিটরসের (ACE inhibitors) সাথে লিথিয়াম একত্রে সেবন করলে রক্তে লিথিয়ামের ঘনত্ব এবং এর বিষাক্ততা সাময়িকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ার তথ্য জানা গেছে। ক্যাভাপ্রোের ক্ষেত্রে এমন প্রভাব এখন পর্যন্ত খুব কমই দেখা গেছে। তবুও, এই ওষুধগুলোর সংমিশ্রণ ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না। যদি একসাথে ব্যবহার করা একান্তই প্রয়োজনীয় হয়, তবে রক্তে লিথিয়ামের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা উচিত।

নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগস (NSAIDs): যখন অ্যানজিওটেনসিন-II অ্যান্টাগনিস্ট ওষুধগুলো নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্লেমেটরি ড্রাগসের (যেমন- সিলেক্টিভ COX-2 ইনহিবিটরস, দৈনিক ৩ গ্রামের বেশি অ্যাসিটাইলস্যালিসাইলিক অ্যাসিড এবং নন-সিলেক্টিভ NSAIDs) সাথে একই সাথে সেবন করা হয়, তখন ক্যাভাপ্রোের রক্তচাপ কমানোর কার্যকারিতা হ্রাস পেতে পারে।
অন্যান্য তথ্য: ক্লিনিক্যাল স্টাডিতে দেখা গেছে যে, হাইড্রোক্লোরোথায়াজাইড ব্যবহারের ফলে ক্যাভাপ্রোের ফার্মাকোকাইনেটিক্স (শরীরে ওষুধের বিপাক ও শোষণ প্রক্রিয়া) প্রভাবিত হয় না। ক্যাভাপ্রো প্রধানত CYP2C9 এনজাইমের মাধ্যমে এবং কিছুটা গ্লুকুরোনিডেশনের মাধ্যমে বিপাকিত হয়। ওয়ানফারিন (যা CYP2C9 দ্বারা বিপাকিত হয়)-এর সাথে ক্যাভাপ্রো একত্রে ব্যবহারে কোনো উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যায়নি। রিফাম্পিসিনের মতো CYP2C9 ইনডুসার ওষুধগুলো ক্যাভাপ্রোের ওপর কী প্রভাব ফেলে তা মূল্যায়ন করা হয়নি। ক্যাভাপ্রো একত্রে ব্যবহারের ফলে ডিগক্সিনের ফার্মাকোকাইনেটিক্সে কোনো পরিবর্তন ঘটেনি।

প্রতিনির্দেশনা

ডায়াবেটিস এবং কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মকভাবে ব্যাহত (GFR <60 ml/min) এমন রোগীদের ক্ষেত্রে অ্যালিসকাইরেন (aliskiren) ওষুধের সাথে ইর্বেসারটানের একত্রে ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। গর্ভাবস্থায় এটি ব্যবহার করা যাবে না।

পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া

ক্যাভাপ্রোের অন্যতম প্রধান সুবিধা হলো এর পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার হার খুবই কম; বিশেষ করে কাশি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না বললেই চলে (কাশি সাধারণত এসিই ইনহিবিটরস ওষুধের একটি সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া যা একই রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন সিস্টেমে কাজ করে)।
  • সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: মাথাব্যথা, মাথা ঘোরা বা মাথা হালকা লাগা, ক্লান্তি, বমি বমি ভাব এবং বমি।
  • কম সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া: উদ্বেগ বা দুশ্চিন্তা, নার্ভাসনেস, ঢেঁকুর ওঠা, বুক জ্বালাপোড়া (heartburn), পেটে অস্বস্তি, ডায়রিয়া, পেশি বা হাড়ে ব্যথা এবং অস্বাভাবিক ক্লান্তি।

গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে

গর্ভাবস্থা: গর্ভাবস্থার দ্বিতীয় এবং তৃতীয় ট্রাইমেস্টারে (চতুর্থ থেকে নবম মাস) ইর্বেসারটান ব্যবহার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। এই সময়ে রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন-সিস্টেমের ওপর সরাসরি কাজ করে এমন ওষুধ ব্যবহারের ফলে গর্ভস্থ বা নবজাতক শিশুর কিডনি বিকল হওয়া, মাথার খুলির স্বাভাবিক গঠন ব্যাহত হওয়া (skull hypoplasia) এবং এমনকি শিশুর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে গর্ভাবস্থার প্রথম ট্রাইমেস্টারেও ইর্বেসারটান ব্যবহার না করাই শ্রেয়। সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করার আগেই ইর্বেসারটানের পরিবর্তে অন্য কোনো নিরাপদ ওষুধ গ্রহণ করা উচিত। যদি ইর্বেসারটান ব্যবহারকালীন সময়ে গর্ভাবস্থা শনাক্ত হয়, তবে যত দ্রুত সম্ভব ওষুধটি বন্ধ করতে হবে; এবং অজান্তে দীর্ঘ সময় ধরে এই ওষুধ সেবন করা হয়ে থাকলে আল্ট্রাসনোগ্রাফির (echography) মাধ্যমে গর্ভস্থ শিশুর মাথার খুলি ও কিডনির কার্যকারিতা পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত।

স্তন্যদানকাল: স্তন্যদানকালে ইর্বেসারটান ব্যবহার করা নিষিদ্ধ। ইর্বেসারটান মানুষের মাতৃদুগ্ধে নিঃসৃত হয় কিনা তা জানা যায়নি (তবে স্তন্যদায়ী ইঁদুরের দুধে এর উপস্থিতি পাওয়া গেছে)।

সতর্কতা

যেসকল রোগীদের একপাশের বা দুইপাশের রেনাল আর্টারি স্টেনোসিস (কিডনির রক্তনালী সংকুচিত হওয়া), রক্তনালীতে তরলের স্বল্পতা বা সোডিয়ামের ঘাটতি, অ্যাওর্টিক বা মিট্রাল স্টেনোসিস (হার্টের ভাল্ব সংকুচিত হওয়া), বা অবস্ট্রাক্টিভ হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি (হার্টের পেশির রোগ) রয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে সতর্ক থাকতে হবে। এছাড়া কিডনির কার্যকারিতা মারাত্মক ব্যাহত হলে এবং স্তন্যদানকালে সতর্কতা জরুরি।

বিশেষ ক্ষেত্রে ব্যবহার

কিডনি বিকলতা: কিডনির কার্যকারিতা ব্যাহত রোগীদের ক্ষেত্রে সাধারণত ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন হয় না। তবে যেসকল রোগীদের হেমোডায়ালাইসিস চলছে, তাদের ক্ষেত্রে ক্যাভাপ্রোের সর্বনিম্ন প্রারম্ভিক মাত্রা ৭৫ মিলিগ্রাম বিবেচনা করা উচিত।

শরীরে তরলের স্বল্পতা: তীব্র ডাইইউরেটিক থেরাপি, খাবারে লবণ নিয়ন্ত্রণ, ডায়রিয়া বা বমির কারণে শরীরে পানি বা সোডিয়ামের ঘাটতি থাকলে ক্যাভাপ্রো সেবনের পর প্রথম ডোজেই লক্ষণভিত্তিক রক্তচাপ কমে যাওয়া দেখা দিতে পারে। ক্যাভাপ্রো শুরু করার আগেই এই ঘাটতি দূর বা সংশোধন করা উচিত।

যকৃতের কার্যকারিতা ব্যাহত: মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের যকৃতের সমস্যাযুক্ত রোগীদের ক্ষেত্রে ডোজ পরিবর্তনের প্রয়োজন নেই। তবে তীব্র বা লিভারের মারাত্মক সমস্যায় আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এর ব্যবহারের কোনো ক্লিনিক্যাল অভিজ্ঞতা নেই।

উচ্চ রক্তচাপসহ টাইপ-২ ডায়াবেটিস ও কিডনি রোগী: অ্যাডভান্সড বা জটিল কিডনি রোগে আক্রান্ত রোগীদের ওপর করা একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে-কিডনি ও হার্টের সুরক্ষায় ক্যাভাপ্রোের কার্যকারিতা সব উপদলের (subgroups) ক্ষেত্রে সমান ছিল না। বিশেষ করে, নারী এবং শ্বেতাঙ্গ নয় (non-white) এমন রোগীদের ক্ষেত্রে এর ফলাফল তুলনামূলকভাবে কম ইতিবাচক দেখা গেছে।

হাইপারক্যালেমিয়া (রক্তে পটাশিয়ামের আধিক্য): রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেমের ওপর কাজ করে এমন অন্যান্য ওষুধের মতোই ক্যাভাপ্রো চিকিৎসার সময় রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা বৃদ্ধি পেতে পারে; বিশেষ করে কিডনির সমস্যা, ডায়াবেটিসজনিত কিডনি রোগের কারণে প্রস্রাবে প্রোটিন যাওয়া এবং/অথবা হার্ট ফেইলিউর থাকলে এই ঝুঁকি বেশি। ঝুঁকিপূর্ণ রোগীদের রক্তে পটাশিয়ামের মাত্রা নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

অ্যাওর্টিক এবং মিট্রাল ভাল্ব স্টেনোসিস, অবস্ট্রাক্টিভ হাইপারট্রফিক কার্ডিওমায়োপ্যাথি: অন্যান্য রক্তনালী প্রসারক (vasodilators) ওষুধের মতোই, হার্টের ভাল্ব সংকুচিত বা হার্টের পেশির রোগাক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত।

প্রাইমারি অ্যালডোস্টেরনিজম: প্রাইমারি অ্যালডোস্টেরনিজমে আক্রান্ত রোগীরা সাধারণত রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন সিস্টেমে কাজ করা উচ্চ রক্তচাপের ওষুধে সাড়া দেন না। তাই তাদের ক্ষেত্রে ক্যাভাপ্রো ব্যবহারের পরামর্শ দেওয়া হয় না।

সাধারণ: যেসকল রোগীদের রক্তনালীর সংকোচন-প্রসারণ এবং কিডনির কার্যকারিতা মূলত রেনিন-অ্যানজিওটেনসিন-অ্যালডোস্টেরন সিস্টেমের ওপর নির্ভরশীল (যেমন- তীব্র কনজেস্টিভ হার্ট ফেইলিউর বা রেনাল আর্টারি স্টেনোসিসসহ কিডনির রোগ), তাদের ক্ষেত্রে এসিই ইনহিবিটরস বা অ্যানজিওটেনসিন-II রিসেপ্টর অ্যান্টাগনিস্ট ব্যবহার করলে তীব্র রক্তচাপ কমে যাওয়া, রক্তে নাইট্রোজেন ঘটিত উপাদানের আধিক্য (azotaemia), প্রস্রাব কমে যাওয়া (oliguria) বা কদাচিৎ তীব্র কিডনি বিকলতা দেখা দিতে পারে। যেকোনো উচ্চ রক্তচাপের ওষুধের মতোই, ইসকেমিক কার্ডিওপ্যাথি বা ইসকেমিক কার্ডিওভাসকুলার রোগে আক্রান্ত রোগীদের রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে গেলে হার্ট অ্যাটাক (myocardial infarction) বা স্ট্রোক হতে পারে।

মাত্রাধিক্যতা

প্রাপ্তবয়স্কদের ওপর ৮ সপ্তাহ ধরে দৈনিক ৯০০ মিলিগ্রাম পর্যন্ত মাত্রা ব্যবহারে কোনো বিষাক্ততা বা তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়নি। অতিরিক্ত মাত্রার ফলে মূলত রক্তচাপ অতিরিক্ত কমে যাওয়া (hypotension) এবং দ্রুত হৃদস্পন্দন (tachycardia) হতে পারে; তবে ক্ষেত্রবিশেষে হৃদস্পন্দন কমেও (bradycardia) যেতে পারে। ক্যাভাপ্রোের ওভারডোজের সুনির্দিষ্ট কোনো প্রতিষেধক নেই। রোগীকে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখতে হবে এবং লক্ষণভিত্তিক ও সহায়ক চিকিৎসা দিতে হবে। বমি করানো এবং/অথবা গ্যাস্ট্রিক ল্যাভেজ (পেট পরিষ্কার করা) করা যেতে পারে। অ্যাক্টিভেটেড চারকোল (Activated charcoal) ব্যবহার করা কার্যকর হতে পারে। হেমোডায়ালাইসিসের মাধ্যমে শরীর থেকে ক্যাভাপ্রো বের করা যায় না।

থেরাপিউটিক ক্লাস

Angiotensin-ll receptor blocker

সংরক্ষণ

আলো থেকে দূরে, ঠান্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
Pack Image of Cavapro 75 mg Tablet Pack Image: Cavapro 75 mg Tablet