Unit Price:
৳ 20.00
(3 x 10: ৳ 600.00)
Strip Price:
৳ 200.00
নির্দেশনা
ইমিডা ট্যাবলেট মূত্র থলির অতিকার্যকারিতার উপসর্গগুলো যেমন- মূত্র ত্যাগের জরুরীভাব, ঘনঘন মূত্রত্যাগ এবং মূত্র ধারণের ক্ষমতা হ্রাস পাওয়ার চিকিৎসার ক্ষেত্রে নির্দেশিত।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ফার্মাকোলজি
ইমিডাফেনাসিন একটি অ্যান্টি-মাসকারিনিক এজেন্ট। ইমিডাফেনাসিন তার কার্যকারিতা শুধু মাত্র মাসকারিনিক রিসেপ্টরকে ব্লক করার মাধ্যমে প্রদর্শন করে থাকে, বিশেষ করে এম ৩ সাবটাইপ এর ওপর, যা মূলত মূত্রাশয়ের ডিট্রসার পেশীতে পাওয়া যায়। মাসকারিনিক রিসেপ্টর হল এক ধরনের অ্যাসিটাইলকোলিন রিসেপ্টর যা মূত্রাশয় সহ মসৃণ পেশীগুলির সংকোচনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে থাকে। যখন অ্যাসিটাইলকোলিন এই রিসেপ্টরগুলির সাথে যুক্ত হয়, তখন এটি এমন একটি ঘটনাকে ট্রিগার করে যার ফলে পেশী সংকোচন হয়, প্রস্রাবের প্রক্রিয়াকে সহজতর করে থাকে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
প্রাপ্ত বয়স্কদের জন্য ইমিডাফেনাসিনের নির্দেশিত মাত্রা প্রতিদিন ০.১ মি.গ্রা. করে ২ বার খাবারের পর। প্রয়োজন হলে মাত্রা বৃদ্ধি করে প্রতিদিন ০.২ মি.গ্রা. পর্যন্ত করা যেতে পারে (প্রতিদিন ০.৪ মি.গ্রা.) অথবা চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সেব্য। শিশুদের জন্য ইমিডাফেনাসিনের নিরাপত্তা ও কার্যকারিতা এখনো প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
সিওয়াইপি৩এ৪ ইনহিবিটর যেমন ইট্রাকোনাজোল, কেটোকোনাজোল, ইরাইথ্রোমাইসিন, এবং ক্ল্যারিথ্রোমাইসিন ব্যবহার করলে রক্তে ইমিডাের মাত্রা বাড়তে পারে, যা অতিমাত্রার ঝুঁকি বাড়ায়। একই সাথে যদি অ্যান্টিহিস্টামিন, ট্রাইসাইক্লিক অ্যান্টিডিপ্রেসেন্ট, ফেনোথায়াজিন এবং মনোঅ্যামিন অক্সিডেজ ইনহিবিটর এই ওষুধগুলি ব্যবহৃত হয়, তাহলে ইমিডাের অ্যান্টিকোলিনার্জিক প্রভাব বেড়ে যেতে পারে, যা পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া বাড়ার।
প্রতিনির্দেশনা
ইমিডাফেনাসিন নির্দিষ্ট কিছু মেডিকেল কন্ডিশনের রোগীর ক্ষেত্রে ব্যবহার করা উচিত নয় যেমন: যেসব রোগীর মূত্র জমে থাকার ঝুঁকি রয়েছে, পাইলোরিক অঞ্চল, ডুওডেনাম বা অস্ত্রের প্রতিবন্ধকতা অথবা প্যারালিটিক ইলিয়াসে। এছাড়ও গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনালের কম গতিবিধি, পেশীর টান, ন্যারো-অ্যাঙ্গেল গ্লুকোমা, মায়াস্থেনিয়া গ্র্যাভিস রোগীদের ক্ষেত্রে এই ওষুধ ব্যবহার করা উচিত নয়। এছাড়াও এই ট্যাবলেটের কোনও একটি উপাদানের প্রতি অতিসংবেদনশীলতা রয়েছে এমন রোগীদের ক্ষেত্রে প্রতিনির্দেশিত।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
ইমিডাের ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াগুলো হলো একিউট গ্লুকোমা, ইউরিনারি রিটেনশন এবং হেপাটিক ডিসফাংশন। মুখের শুষ্কতা এবং কোষ্ঠকাঠিন্য হলো ইমিডাের সবচেয়ে সাধারণ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থা এবং স্তন্যদানকালে ইমিডাফেনাসিন ব্যবহারের কোন নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠিত হয়নি।
সতর্কতা
নিম্নলিখিত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত: হাইপারথাইরয়ডিজমে আক্রান্ত রোগীর ক্ষেত্রে। ডিসইউরিয়া, অ্যারিথমিয়া, হেপাটিক ডিসফাংশন, রেনাল ডিসফাংশন, ডিমেনশিয়া বা কগনিটিভ ডিসফাংশন, সেরেব্রোভাসকুলার ডিসঅর্ডার, আলসারেটিভ কোলাইটিস এবং
মাত্রাধিক্যতা
ইমিডাের অতিমাত্রায় ইউরিনারি রিটেনশন, মাইড্রিয়াসিস, উত্তেজনা, ট্যাকিকার্ডিয়া ইত্যাদি হতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
BPH/ Urinary retention/ Urinary incontinence
সংরক্ষণ
২৫°সে. তাপমাত্রার নিচে, আলো থেকে দূরে ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। সকল ওষুধ শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
