Unit Price:
৳ 21.56
(1 x 28: ৳ 603.68)
Strip Price:
৳ 603.68
নির্দেশনা
মেনোপজ-পরবর্তী (ঋতুস্রাব স্থায়ীভাবে বন্ধ হওয়া) নারীদের ক্ষেত্রে স্বাভাবিক বা অস্ত্রোপচারজনিত মেনোপজের কারণে সৃষ্ট লক্ষণ বা উপসর্গসমূহের চিকিৎসায়। যেসব মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের হাড় ভাঙার উচ্চ ঝুঁকি রয়েছে, কিন্তু অস্টিওপোরোসিস প্রতিরোধের অন্যান্য ওষুধ সেবন করতে পারেন না, তাদের ক্ষেত্রে অস্টিওপোরোসিস (হাড় ক্ষয় রোগ) প্রতিরোধে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ফার্মাকোলজি
টিবোলন একটি কৃত্রিম স্টেরয়েড, যার মধ্যে ইস্ট্রোজেনিক, অ্যান্ড্রোজেনিক এবং প্রোজেস্টোজেনিক বৈশিষ্ট্য রয়েছে। মুখে সেবনের পর, টিবোলন দ্রুত তিনটি উপাদানে বা মেটাবোলাইটে রূপান্তরিত হয়, যা এর ফার্মাকোলজিক্যাল কার্যকারিতায় ভূমিকা রাখে। এর মধ্যে দুটি মেটাবোলাইট (the 3α−OH and 3β−OH metabolite) প্রধানত ইস্ট্রোজেনিক কার্যক্রম প্রদর্শন করে; এবং তৃতীয় মেটাবোলাইটটি (δ4-isomer of Tibolone) ও মূল উপাদানটি প্রধানত প্রোজেস্টোজেনিক এবং অ্যান্ড্রোজেনিক কার্যক্রম পরিচালনা করে। টিবোলন মেনোপজ-পরবর্তী নারীদের শরীরে ইস্ট্রোজেন হরমোনের ঘাটতি পূরণ করে এবং মেনোপজের উপসর্গসমূহ উপশম করে। এটি মেনোপজ বা ডিম্বাশয় অপসারণের পর হাড়ের ক্ষয় রোধ করে। জরায়ু পথ, হাড় এবং মস্তিষ্কের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রের (যেমন: হট ফ্লাশ বা হঠাৎ শরীর গরম হয়ে যাওয়া) ওপর এর ইস্ট্রোজেনিক প্রভাব রয়েছে। এটি জরায়ু পথের শুষ্কতা এবং ক্ষয়প্রাপ্তি রোধে উন্নতি ঘটায়। এছাড়া টিবোলন মানসিক মেজাজ এবং যৌন আকাঙ্ক্ষা বৃদ্ধিতেও ভূমিকা রাখে।
মাত্রা ও সেবনবিধি
এর সাধারণ মাত্রা হলো প্রতিদিন একটি করে টিবোলন ট্যাবলেট (২.৫ মি.গ্রা.)। ট্যাবলেটটি কিছুটা পানি বা অন্য কোনো তরলের সাহায্যে গিলে ফেলা উচিত, এবং প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময়ে সেবন করা শ্রেয়। সাধারণত কয়েক সপ্তাহের মধ্যে উপসর্গের উন্নতি ঘটে, তবে অন্তত ৩ মাস একটানা চিকিৎসা চালিয়ে গেলে সর্বোত্তম ফলাফল পাওয়া যায়।
টিবোলন ট্যাবলেট শুরু করার নিয়ম: যেসব নারীর স্বাভাবিকভাবে মেনোপজ হয়েছে, তাদের শেষ স্বাভাবিক ঋতুস্রাব বা রক্তক্ষরণের অন্তত ১২ মাস পর এই টিবোলন ট্যাবলেট দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেনোপজ হওয়ার ক্ষেত্রে এই ট্যাবলেট দিয়ে চিকিৎসা অবিলম্বে শুরু করা যেতে পারে।
সিকোয়েন্সিয়াল বা কন্টিনিউয়াস কম্বাইন্ড এইচআরটি (হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি) থেকে টিবোলনে পরিবর্তন করার নিয়ম: যদি সিকোয়েন্সিয়াল এইচআরটি থেকে পরিবর্তন করতে হয়, তবে পূর্ববর্তী কোর্সটি শেষ করার ঠিক পরদিন থেকেই টিবোলন শুরু করতে হবে। আর যদি কন্টিনিউয়াস-কম্বাইন্ড এইচআরটি থেকে পরিবর্তন করতে হয়, তবে যেকোনো সময় চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে।
ওষুধ সেবন ছুটে গেলে: যদি কোনো মাত্রা সেবন করতে ভুলে যান, তবে মনে পড়ার সাথে সাথেই তা সেবন করে নিন, যদি না সেবনের স্বাভাবিক সময় থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি পার হয়ে থাকে। ১২ ঘণ্টার বেশি পার হয়ে গেলে পূর্বের মাত্রাটি বাদ দিন এবং পরবর্তী মাত্রাটি স্বাভাবিক সময়ে সেবন করুন। মাত্রা বাদ পড়লে হুট করে রক্তক্ষরণ এবং স্পটিং (রক্তের ফোঁটা দেখা যাওয়া) হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।
টিবোলন ট্যাবলেট শুরু করার নিয়ম: যেসব নারীর স্বাভাবিকভাবে মেনোপজ হয়েছে, তাদের শেষ স্বাভাবিক ঋতুস্রাব বা রক্তক্ষরণের অন্তত ১২ মাস পর এই টিবোলন ট্যাবলেট দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিত। অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে মেনোপজ হওয়ার ক্ষেত্রে এই ট্যাবলেট দিয়ে চিকিৎসা অবিলম্বে শুরু করা যেতে পারে।
সিকোয়েন্সিয়াল বা কন্টিনিউয়াস কম্বাইন্ড এইচআরটি (হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি) থেকে টিবোলনে পরিবর্তন করার নিয়ম: যদি সিকোয়েন্সিয়াল এইচআরটি থেকে পরিবর্তন করতে হয়, তবে পূর্ববর্তী কোর্সটি শেষ করার ঠিক পরদিন থেকেই টিবোলন শুরু করতে হবে। আর যদি কন্টিনিউয়াস-কম্বাইন্ড এইচআরটি থেকে পরিবর্তন করতে হয়, তবে যেকোনো সময় চিকিৎসা শুরু করা যেতে পারে।
ওষুধ সেবন ছুটে গেলে: যদি কোনো মাত্রা সেবন করতে ভুলে যান, তবে মনে পড়ার সাথে সাথেই তা সেবন করে নিন, যদি না সেবনের স্বাভাবিক সময় থেকে ১২ ঘণ্টার বেশি পার হয়ে থাকে। ১২ ঘণ্টার বেশি পার হয়ে গেলে পূর্বের মাত্রাটি বাদ দিন এবং পরবর্তী মাত্রাটি স্বাভাবিক সময়ে সেবন করুন। মাত্রা বাদ পড়লে হুট করে রক্তক্ষরণ এবং স্পটিং (রক্তের ফোঁটা দেখা যাওয়া) হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যেতে পারে।
* রেজিস্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শ মোতাবেক ঔষধ সেবন করুন
ঔষধের মিথষ্ক্রিয়া
চিকিৎসাক্ষেত্রে টিবিলনের সাথে অন্য কোনো ওষুধের পারস্পরিক প্রতিক্রিয়ার নজির পাওয়া যায়নি। তবে তাত্ত্বিক ভিত্তির ওপর নির্ভর করে নিম্নলিখিত সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়াগুলো বিবেচনা করা উচিত:
এনজাইম-ইনডিউসিং উপাদান যেমন: বার্বিচুরেটস, কার্বামাজেপিন, হাইড্যান্টোইনস এবং রিফাম্পিসিন শরীরের ভেতর টিবিলনের বিপাক বাড়িয়ে দিতে পারে এবং এর ফলে এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
যেহেতু টিবিলন রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী কার্যক্রম বাড়িয়ে দিতে পারে (ফাইব্রিনোজেনের মাত্রা কমায়; এটি-৩, প্লাজমিনোজেন এবং ফাইব্রিনোলাইটিক অ্যাক্টিভিটির মান বাড়ায়), তাই এটি অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত পাতলাকারী ওষুধের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
এনজাইম-ইনডিউসিং উপাদান যেমন: বার্বিচুরেটস, কার্বামাজেপিন, হাইড্যান্টোইনস এবং রিফাম্পিসিন শরীরের ভেতর টিবিলনের বিপাক বাড়িয়ে দিতে পারে এবং এর ফলে এর কার্যকারিতা কমে যেতে পারে।
যেহেতু টিবিলন রক্ত জমাট বাঁধা প্রতিরোধী কার্যক্রম বাড়িয়ে দিতে পারে (ফাইব্রিনোজেনের মাত্রা কমায়; এটি-৩, প্লাজমিনোজেন এবং ফাইব্রিনোলাইটিক অ্যাক্টিভিটির মান বাড়ায়), তাই এটি অ্যান্টিকোয়াগুলেন্ট বা রক্ত পাতলাকারী ওষুধের কার্যকারিতা বাড়িয়ে দিতে পারে।
প্রতিনির্দেশনা
গর্ভাবস্থা ও স্তন্যদানকাল, হরমোন-নির্ভর টিউমার (জানা বা সন্দেহভাজন), হৃদরোগ বা সেরিব্রোভাসকুলার (মস্তিষ্কের রক্তনালীজনিত) ব্যাধি, সক্রিয় ডিপ ভেইন থ্রম্বোসিস (রক্তনালীতে রক্ত জমাট বাঁধা), থ্রম্বোঅ্যাম্বলিক ব্যাধি, অজ্ঞাত কারণে জরায়ু থেকে রক্তক্ষরণ এবং লিভারের মারাত্মক রোগে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে এটি ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ।
পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া
মাঝে মাঝে জরায়ু থেকে রক্তক্ষরণ বা স্পটিং হতে পারে, বিশেষ করে চিকিৎসার প্রথম মাসগুলোতে। অন্যান্য পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার মধ্যে রয়েছে মাথাব্যথা এবং মাইগ্রেন, ইডিমা (শরীর ফুলে যাওয়া), মাথা ঘোরা, চুলকানি, শরীরের ওজন বৃদ্ধি, বমি বমি ভাব, পেটে ব্যথা, র্যাশ বা ফুসকুড়ি এবং বিষণ্ণতা বা ডিপ্রেশন।
গর্ভাবস্থায় ও স্তন্যদানকালে
গর্ভাবস্থায় টিবোলন ট্যাবলেট ব্যবহার করা সম্পূর্ণ নিষেধ। যদি এই ওষুধ সেবনকালীন সময়ে কোনো নারী গর্ভবতী হয়ে পড়েন, তবে অবিলম্বে চিকিৎসা বন্ধ করতে হবে। গর্ভবতী নারীদের ওপর এর ব্যবহারের কোনো সুনির্দিষ্ট ক্লিনিক্যাল তথ্য নেই। স্তন্যদানকারী মায়েদের ক্ষেত্রেও টিবোলন ট্যাবলেট ব্যবহার করা নিষেধ।
সতর্কতা
কিডনির কার্যহীনতা, লিভারের রোগের ইতিহাস, মৃগী রোগ, মাইগ্রেন, হাইপারকোলেস্টেরোলেমিয়া (রক্তে উচ্চ কোলেস্টেরল), শর্করার বিপাক প্রক্রিয়ায় ত্রুটি, ডায়াবেটিস মেলিটাস এবং কোলেস্ট্যাটিক জন্ডিসে আক্রান্ত রোগীদের ক্ষেত্রে সতর্কতার সাথে এটি ব্যবহার করা প্রয়োজন।
মাত্রাধিক্যতা
প্রাণীদের ওপর পরীক্ষায় টিবিলনের তীব্র বিষাক্ততা খুব কম দেখা গেছে। তাই একসাথে কয়েকটি ট্যাবলেট সেবন করলেও বিষাক্ত কোনো উপসর্গ দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা নেই। তীব্র ওভারডোজের ক্ষেত্রে- বমি বমি ভাব, বমি এবং নারীদের ক্ষেত্রে উইথড্রয়াল ব্লিডিং (হঠাৎ রক্তক্ষরণ) হতে পারে। প্রয়োজনবোধে লক্ষণভিত্তিক চিকিৎসা দেওয়া যেতে পারে।
থেরাপিউটিক ক্লাস
Drugs for menopausal symptoms: Hormone replacement therapy
সংরক্ষণ
ঠাণ্ডা ও শুষ্ক স্থানে সংরক্ষণ করুন। আলো থেকে দূরে রাখুন। শিশুদের নাগালের বাইরে রাখুন।
